'বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাবর-আকবর-হুমায়ুন-শাহজাহান-ঔরঙ্গজেবের নাম লেখা হবে না', হুঙ্কার শুভেন্দুর
গঙ্গাসাগর ফেরত সাধুসন্তদের নিয়ে বাংলাদেশ উপদূতাবাসে ধর্নার হুমকি শুভেন্দুর! জামিন পেলেন মঙ্গলবারের বিক্ষোভকারীরা
রাত পোহালে ‘সিনিয়র সিটিজ়েন’! গ্যালাক্সি ছেড়ে পনবেলের খামারবাড়িতে রয়েছেন সলমন, কেমন আয়োজন?
ইহুদিদের রাস্তায় হেঁটে দিল্লির উপর ভরসা, ১০ লক্ষ ভারতীয়কে মোটা মাইনের চাকরি দেবেন পুতিন?
‘চিকেনস নেক’-এর দিকে তাকালেই মিলবে যোগ্য জবাব! ভারতের পদক্ষেপে চমকে গেল বাংলাদেশ
জয়া নন, রেখার ‘সতিন’ হতে চেয়েছিলেন অন্য এক অভিনেত্রী
ভারতীয় পণ্যকে জিআই তকমা দিতে আইন পরিবর্তনের পথে নিউ জ়িল্যান্ড
ভারতে ইলন মাস্কের ‘স্টারলিঙ্ক’-এর সুবিধা পাবেন মাত্র ২০ লক্ষ গ্রাহক! কবে থেকে? খরচই বা কত? জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
নাম কাটছে ভ্যানিশকুমারেরা’! জ্ঞানেশ, মনোজদের নিশানা মমতার, এআই দিয়ে ভোটার তালিকায় কারচুপিরও আশঙ্কা
Jio-Airtelকে টেক্কা দিতে মাঠে BSNL, ৫০ দিনে ১০০GB ডেটার ধামাকাদার প্ল্যান
মাস্ক-ঝড়ের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে শেয়ার বাজার, দেড় লক্ষ কোটি ডলারের আইপিও আনতে পারে মহাকাশ সংস্থা ‘স্পেসএক্স’
কমিশন জবাব দাও’! ফের সিইও দফতরের সামনে উত্তেজনা, পুলিশের, সঙ্গে ধস্তাধস্তি বিএলও-দের একাংশের
নির্বাচনের আগে শান্তি ফিরুক, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে যত দ্রুত সম্ভব উত্তেজনা কমুক’! পুতিনের দূত বার্তা দিলেন বাংলাদেশকে
মহারাষ্ট্রের পুর নির্বাচনে জয়ী বিজেপি নেতৃত্বাধীন ‘মহাজুটি’ জোট, পদ্মশিবিরে উল্লাস
Muhammad Yunus on Bangladesh: ‘ধৈর্য ধরুন’, কেন এ কথা বললেন মহম্মদ ইউনূস?
বিএসএফ জওয়ানকে টেনেহিঁচড়ে বাংলাদেশ নিয়ে গেল গরু পাচারকারীরা! অপহৃতকে উদ্ধারের চেষ্টায় বাহিনী

শক্তি বাড়বে ভারতীয় সেনার! তিন বাহিনীর জন্য ৭৯,০০০ কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম, মিলল কেন্দ্রের অনুমোদন

 ভারতীয় (India) প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির (ডিএসিএস) সোমবারের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ৭৯ হাজার কোটি টাকার বিপুল সামরিক সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। আত্মনির্ভর ভারত নীতির সাথে সঙ্গতি রেখে গৃহীত এই সিদ্ধান্ত স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীর যুদ্ধক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে।


image



আরও শক্তি বাড়বে ভারতীয় (India) সেনার!

এই বিপুল বিনিয়োগের আওতায় সেনাবাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক লয়েটার মিউনিশন সিস্টেম (কামিকাজ়ে ড্রোন), হালকা ওজনের আধুনিক রাডার, পিনাকা মাল্টিপল রকেট লঞ্চ সিস্টেমের দীর্ঘ পাল্লার গোলাবারুদ এবং সমন্বিত ড্রোন শনাক্তকারী ব্যবস্থা কেনা হবে। এই সরঞ্জামগুলি সীমান্তে নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শত্রু লক্ষ্যে নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম।


নৌবাহিনী ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর জন্যও ব্যাপক আধুনিকীকরণের পথ প্রশস্ত হল। কেনাকাড়ার তালিকায় রয়েছে ল্যান্ডিং প্ল্যাটফর্ম ডক, ৩০ এমএম নেভাল সারফেস গান, উন্নত হালকা টর্পেডো, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ইনফ্রারেড সার্চ অ্যান্ড ট্র্যাক সিস্টেম এবং ৭৬ এমএম সুপার র‍্যাপিড গানের জন্য উচ্চ বিস্ফোরক স্মার্ট গোলা। এসব প্রযুক্তি সমুদ্রপথে ভারতের প্রতিরক্ষাকে আরও মজবুত করবে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।


এই অনুমোদন কেবল সামরিক শক্তি বৃদ্ধির জন্যই নয়, দেশীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদন শিল্পের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের অধীনে এই অস্ত্র ও সরঞ্জামগুলির একটি বড় অংশ দেশেই তৈরি হবে, যা স্বদেশী প্রতিরক্ষা শিল্পকে শক্তিশালী করবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।


সামগ্রিকভাবে, চিন ও পাকিস্তানের মতো প্রতিপক্ষদের মোকাবিলায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বদা প্রস্তুত রাখতে এবং ভবিষ্যতের যে কোনো চ্যালেঞ্জের জন্য আগাম সক্ষমতা গড়ে তুলতেই এই বিপুল বিনিয়োগ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, এই সিদ্ধান্ত জাতীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়েই গৃহীত হয়েছে।

শাহরুখ খান গদ্দার!', হিন্দু-হত্যাকারী বাংলাদেশকে তোষণ? মুস্তাফিজুর ইস্য়ুতে BJP নেতার রোষে বাদশা

 

বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নৃশংসতার জেরে ভারতের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। এদিকে আইপিএলে কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে সুযোগ দিয়েছেন শাহরুখ খান, রোষের মুখে অভিনেতা। 

Published on: Jan 01, 2026 2:49 PM IST
imageশাহরুখ খান গদ্দার!', হিন্দু-হত্যাকারী বাংলাদেশকে তোষণ? মুস্তাফিজুর ইস্য়ুতে BJP নেতার রোষে বাদশা
বাংলাদেশে হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের ওপর ক্রমবর্ধমান অত্যাচারের আবহে কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) দলে জায়গা করে নিয়েছে ওপার বাংলার তারকা ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমান। সেই নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে শাহরুখ খান ও কেকেআর কর্তৃপক্ষ। মুস্তাফিজুর রহমানকে ৯ কোটি টাকা দিয়ে কেনায় দলের মালিক তথা অভিনেতা শাহরুখ খানকে তীব্র আক্রমণ করেছেন উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি নেতা।
উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার প্রাক্তন সদস্য সঙ্গীত সোম, শাহরুখ খানকে সরাসরি ‘দেশদ্রোহী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। মীরাটে একটি জনসভায় সোম বলেন, ‘একদিকে বাংলাদেশে হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, অন্যদিকে আইপিএলে ক্রিকেটার কেনা হচ্ছে। দেশদ্রোহী চলচ্চিত্র অভিনেতা শাহরুখ খান ৯ কোটি টাকায় বাংলাদেশি ক্রিকেটার (মুস্তাফিজুর) রহমানকে কিনেছেন। এই ধরনের দেশদ্রোহীদের এই দেশে থাকার কোনো অধিকার নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই দেশের মানুষই আপনাকে এই অবস্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে। আপনি যদি টাকা পান, তবে তা এই দেশ থেকেই পান। কিন্তু আপনি দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।’
গত ১৬ ডিসেম্বর আইপিএল খেলোয়াড় নিলামে মুস্তাফিজুর রহমানকে ৯.২ কোটি টাকায় কেনা হয়েছে। বিজেপি নেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, রহমান যদি ভারতে আসেন তবে তিনি ‘বিমানবন্দর থেকে বের হতে পারবেন না।’ ২০২৬ সালের মার্চ মাসে আইপিএল শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, আধ্যাত্মিক গুরু দেবকীনন্দন ঠাকুরও রহমানকে কেনার জন্য শাহরুখ খানের সমালোচনা করেছেন এবং কেকেআর (KKR) ম্যানেজমেন্টকে অনুরোধ করেছেন যেন তাকে দলে খেলানো না হয়।


SIR In Bengal: BLO অ্যাপে আনম্যাপড নিয়ে নতুন নির্দেশিকা CEO দফতরের

 SIR In West Bengal: গোটা বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা, মোট সাত প্রকারের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি রয়েছে। যেমন, নামের বানান ভুল, মাঝের নামে ভুল, বাবার নামে ভুল সংক্রান্ত সমস্যা।

By : ABP Ananda | Edited By: Goutam Roy | Updated at : 28 Dec 2025 01:40 PM (IST)



কলকাতা: BLO অ্যাপে আনম্যাপড নিয়ে নতুন নির্দেশিকা CEO দফতরের। সেই নির্দেশিকাগুলো হল- BLO অ্যাপে আনম্যাপড হলেই ভোটারকে বাদ নয়, নাম বাদ নিয়ে আপত্তি থাকলে, শুনানির সুযোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক, নির্দেশিকা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে। BLO অ্যাপে বহু ভোটারকে আনম্যাপড দেখাচ্ছে। একাধিক জেলা থেকে ভুরি ভুরি অভিযোগ কমিশনে। তথ্যের অসঙ্গতির জন্য এই সমস্যা হতে পারে। আনম্যাপড দেখালেই নাম বাদ দেওয়া আইনসঙ্গত নয়। খসড়া তালিকায় নাম থাকলে আইন অনুযায়ী প্রক্রিয়া অনুসরণ করতেই হবে। নির্দেশ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের। ভোটারের অধিকার সুরক্ষাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। এই বিষয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। BLO অ্যাপে আপলোড হওয়া তথ্য যেন খসড়া ভোটার তালিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে। ERO ও AERO-দের কড়া নজরদারির নির্দেশ কমিশনের। 


গোটা বিষয়টি নিয়ে  নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা, মোট সাত প্রকারের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি রয়েছে। যেমন, নামের বানান ভুল, মাঝের নামে ভুল, বাবার নামে ভুল সংক্রান্ত সমস্যা। শুনানি শুরুর আগেই BLO-দের কমিশন নির্দেশ দেয় সামান্য ভুল ত্রুটি গুলি আবেদনকারীদের কাছ থেকে নথি নিয়ে নতুন করে তারা যেন অ্যাপে আপলোড করে। যাতে এই সংক্রান্ত ভুলগুলির জন্য শুনানিতে না যেতে হয়। এর জন্য BLO-দের অ্যাপে নতুন ফিচারও যুক্ত করা হয়। কিন্তু গতকাল শুনানির প্রথম দিন অনেক জায়গাতেই দেখা গিয়েছে এই ধরনের সামান্য ভুলের জন্যও অনেকে শুনানিতে এসেছেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নতুন করে BLO-দের নির্দেশ দেওয়া হবে যাতে সামান্য ভুলগুলোর জন্য তাদের কাছে গেলেই কাজ হয়ে যায়।তবে বাবা-মা র সঙ্গে সন্তানের এবং দাদু-দিদার সঙ্গে নাতি-নাতনির বয়সের অস্বাভাবিক পার্থক্য, একজনের নামের সঙ্গে ৬ জনের বেশি নামের ম্যাপিং জাতীয় বিষয়গুলিও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি। সেগুলির জন্য অনেক ক্ষেত্রেই শুনানিতে ডাকা হচ্ছে নথি যাচাইয়ের জন্য। 



এদিকে, SIR-আবহে এবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধেই মুখ খুললেন বিজেপি সাংসদ। বিস্ফোরক মন্তব্য বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের। 'কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে, তারপর প্রমাণ হবে তোমরা কোন দেশ থেকে এসেছ। আমরা কোন দেশি তা কে প্রমাণ করবে, যাদের হাতে খাতাকলম, তারাই তো বাংলাদেশি। ভোটার তালিকায় নাম না উঠলে ফ্রিজ হবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। মিলবে না সরকারি কোনও সুবিধেসিতাইয়ের সভা থেকে মন্তব্য অনন্ত মহারাজের।

কোরান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, অসীম সরকারকে ‘কুচি কুচি করে কাটা’র হুমকি, অভিযোগ দায়ের বিধায়কের

 

ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


সুবীর দাস, কল্যাণী: বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারকে প্রাণনাশের হুমকি! ফোনে তাঁকে ‘কুচি কুচি’ করে কেটে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলেও অভিযোগ হরিণঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়কের। এরপরেই শুক্রবার রাতে চাকদহ থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। বিধায়কের দাবি, কোরান নিয়ে বক্তব্য রাখার কারণেই হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। যদিও এতে ভীত নন বলেও জানিয়েছেন বিজেপি নেতা। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

বিজেপি বিধায়ক তথা কবিয়াল অসীম সরকার বলেন, ”শুক্রবার বিকেলের পর থেকে একাধিক ফোন নম্বর থেকে ফোন করে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা শুরু হয়। অকথ্য ভাষায় কথা বলা হচ্ছে, গালিগালাজ করা হচ্ছে।” শুধু তাই নয়, কুচি কুচি করে কেটে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ বিধায়কের। শুধু শুক্রবার নয়, আজ শনিবারও শতাধিক ফোন তাঁর কাছে এসেছে বলে দাবি তাঁর। এই অবস্থায় ফোন ধরাই বন্ধ করে দিয়েছেন। এদিন অসীম সরকার বলেন, ”শনিবার সকাল থেকে শতাধিক ফোন এসেছে। বিরক্ত হয়ে ফোন ধরাই বন্ধ করে দিয়েছি।” চাকদহ থানায় একাধিক ফোন নম্বর দিয়ে এই সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করেছেন কবিয়াল।


অন্যদিকে বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে পালটা থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন ইমাম। শুধু তাই নয়, অসীম সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও জানান তাঁরা। অভিযোগ, ‘ধর্মগ্রন্থ নিয়ে বিজেপি বিধায়ক অপপ্রচার করছেন বিধায়ক।’ সম্প্রতি বিজেপির একটি প্রতিবাদ আন্দোলন থেকে সংবাদমাধ্যমের সামনে কোরান নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য রাখেন হরিণঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক কবিয়াল অসীম সরকার। যা নিয়ে ঝড় উঠেছে সমাজমাধ্যমে। এরপরেই পালটা বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের ইমামদের।






বিজেপি বিধায়কের প্রাণনাশের হুমকি! লাগাতার উড়ো ফোন পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ অসীম সরকার

পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে বিধায়ক জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে উত্তর ২৪ পরগনার বেনাপোল সীমান্তে একটি প্রতিবাদ সভায় ভাষণ করেছিলেন তিনি। সেই বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করেন কিছু মানুষ।

উড়ো ফোনে আসছে খুনের হুমকি। বার বার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা ফোন করে তাঁকে শাসাচ্ছেন। এমনই অভিযোগ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার।


পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে অসীম চাকদহ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দুটি ফোন নম্বর দিয়ে জানিয়েছেন, ক্রমাগত তাঁর প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হুমকির কারণ হিসাবে হরিণঘাটার বিধায়ক নিজেই বলেছেন, তাঁর একটি বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করে সমাজমাধ্যমে বেশ কিছু পোস্ট করা হয়েছে। ‘মৌলবাদী লোকজন’ তাঁকে খুন করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। অভিযুক্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন ওই বিধায়ক।

পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে অসীম জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের ঘটনার প্রতিবাদে উত্তর ২৪ পরগনার বেনাপোল সীমান্তে একটি প্রতিবাদ সভায় ভাষণ করেছিলেন তিনি। তাঁর সেই বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করেন কিছু মানুষ। পুরো বক্তব্যের ভিডিয়ো থেকে একটি অংশ কেটে তা সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তার পর থেকেই নিয়মিক তিনি খুনের হুমকি পাচ্ছিলেন। শুক্রবার রাত ৮টা নাগাদ নির্দিষ্ট দুটি অচেনা নম্বর থেকে একটি ফোন আসে। ধরার পরতেই পুরুষ কণ্ঠ ভেসে আসে। শুরুতেই তিনি কদর্য শব্দ ব্যবহার করেন। গালিগালাজ করে মেরে ফেলার হুমকি দেন বিধায়ককে।


অসীম জানিয়েছেন, তিনি ওই ব্যক্তির পরিচয় জানতে চেয়েছিলেন।তখন আবার তাঁকে খুনের হুমকি দিয়ে ফোন রেখে দেন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিটি। এর পর রাত ৮টা ৪০ মিনিটে আবার ফোন করে হুমকি দেওয়া হয় তাঁকে। এ বার অন্য নম্বর থেকে ফোন এসেছিল।


শনিবার বিজেপি বিধায়ক অসীম বলেন, ‘‘একটি নির্দিষ্ট ধর্মগ্রন্থ সংক্রান্ত কিছু যুক্তিপূর্ণ এবং তথ্যসমৃদ্ধ কথা বলেছিলাম। বক্তব্য নিয়ে অবশ্যই কারও আপত্তি থাকতে পারে। তার জন্য আইন-আদালত আছে। এ ভাবে খুনের হুমকি দেওয়ার পিছনে নির্দিষ্ট কোনও চক্র কাজ করছে বলেই মনে হচ্ছে। আমি লিখিত অভিযোগ করেছি। পুলিশ ব্যবস্থা নিক।’’

‘সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অবিরাম হিংসা উদ্বেগজনক’! বাংলাদেশে দীপু দাসের পর অমৃত মণ্ডলের হত্যা নিয়েও প্রতিক্রিয়া ভারতের

 

বুধবার রাজবাড়ি জেলায় পিটিয়ে মারা হয় স্থানীয় যুবক অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাটকে। পুলিশের দাবি, তোলাবাজিকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটেছে। এর আগে ১৮ ডিসেম্বর ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ময়মনসিংহে খুন করা হয়েছিল দীপু দাসকে।




অশান্ত বাংলাদেশে আবার গণপিটুনিতে খুনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার বলেন, ‘‘বাংলাদেশে কট্টরপন্থীদের হাতে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ-সহ সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অবিরাম হামলা গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।’’


রণধীর শুক্রবার বলেন, ‘‘আমরা সকলেই বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি সম্পর্কে অবগত। আমরা বিষয়টি নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান কী ছিল, কী হওয়া উচিত এবং কী হবে, সে বিষয়ে ধারাবাহিক ভাবে অবহিত করছি।’’ ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় দীপুচন্দ্র দাস নিহত হন। ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তাঁকে পিটিয়ে মেরে জ্বালিয়ে দিয়েছিল উন্মত্ত জনতা। সে সময়েও নয়াদিল্লি বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল রাষ্ট্রপুঞ্জও।


কিন্তু পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। বুধবার গভীর রাতে ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ি জেলায় পিটিয়ে মারা হয় স্থানীয় যুবক অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাটকে। জেলা পুলিশের দাবি, তোলাবাজিকে কেন্দ্র করে গোলমালের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। বুধবার রাতের ওই ঘটনার পরে সেলিম শেখ নামে অমৃতের এক সহযোগীকেও পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। তাঁর থেকে দু’টি আগ্নেয়াস্ত্রও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি স্থানীয় পুলিশের। স্থানীয় থানার ওসি শেখ মঈনুল ইসলামের বক্তব্য, নিহত অমৃতের নামে খুনের অভিযোগ-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। নিহতের সহযোগী সেলিমের থেকে একটি পিস্তল এবং একটি ওয়ান শটার পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি পুলিশের। যদিও কট্টরপন্থী জনতার হামলাকে মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বতী সরকার ‘তোলাবাজির অভিযোগের মোড়কে’ ঢাকতে চাইছে বলে অভিযোগ উঠেছে ইতিমধ্যেই।

বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয়দের ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বাতিলের দাবি হাদির সংগঠনের, দিল্লির বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার জন্য চাপসৃষ্টি

 

রবিবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ (বাংলাদেশের স্থানীয় সময় অনুসারে) ঢাকার শাহবাগ চত্বরে ইনকিলাব মঞ্চের ‘সর্বাত্মক অবরোধ’ কর্মসূচি থেকে চার দফা দাবির কথা ঘোষণা করা হয়। দাবিপূরণের জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে সময়ও বেঁধে দিয়েছে হাদির সংগঠন।


ওসমান হাদির খুনি, পরিকল্পনা এবং সাহায্যকারীদের গ্রেফতার করার পাশাপাশি আরও তিনটি দাবি তুলল ইনকিলাব মঞ্চ। রবিবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ (বাংলাদেশের স্থানীয় সময় অনুসারে) ঢাকার শাহবাগ চত্বরে তাদের ‘সর্বাত্মক অবরোধ’ কর্মসূচি থেকে এই চার দফা দাবির কথা ঘোষণা করা হয়। দাবিপূরণের জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে সময়ও বেঁধে দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। প্রসঙ্গত, হাদি এই ইনকিলাব মঞ্চেরই আহ্বায়ক ছিলেন।

মঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, তাদের প্রধান দাবি হল হাদির খুনি এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যুক্ত প্রত্যেককে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাদের বাকি দু’টি দাবি ভারত সম্পর্কিত। হাদির সংগঠনের তরফে বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয়দের কাজের অনুমতি বা ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংগঠনটির যুক্তি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখতে এই পদক্ষেপ করা জরুরি।

মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারের কাছে ইনকিলাব মঞ্চের তৃতীয় দাবি হল, ভারত যদি শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের অন্য নেতাদের ফেরত না-দেয়, তবে নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করতে হবে। তাদের চতুর্থ এবং শেষ দাবি হল, বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে থেকে যাঁরা ‘পরস্পরবিরোধী মন্তব্য করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন’, তাঁদের চাকরিচ্যুত করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা, সেনাবাহিনীতে আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ অনেকে রয়েছেন বলে দাবি ইনকিলাব মঞ্চের। তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।


ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, “এই চার দফা দাবির মধ্যে আগামী ২৪ কার্যদিবস (কাজের দিন)-এর মধ্যে শহিদ ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেফতার করে বিচার সম্পন্ন করা আমাদের প্রধান দাবি। বাকি তিন দাবিও এই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই নিশ্চিত করতে হবে।” রবিবার রাতেই ‘সর্বাত্মক অবরোধ’ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা জানায় ইনকিলাব মঞ্চ। একই সঙ্গে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে জানানো হয়। সোমবার দুপুর ২টোয় ঢাকার শাহবাগ চত্বরে বাংলাদেশের সমস্ত স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসার পড়ুয়াদের সমবেত হওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনটির তরফে জানানো হয়েছে, ‘বিচার’ না-হওয়া পর্যন্ত তারা লড়াই চালিয়ে যাবে।

গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন হাদি। সরকারি উদ্যোগে তাঁকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ছ’দিন পর তাঁর মৃত্যু হয়। এর পরেই বাংলাদেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য এবং হাদির সমর্থকেরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সংগঠিত গণরোষের কোপে তছনছ হয়ে যায় একাধিক সরকারি ও সাংস্কৃতিক ভবন, সংবাদপত্রের দফতর। হাদির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অনেককে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। কিন্তু মূল হত্যাকারী ফয়সাল করিম এবং তাঁর প্রধান আলমগীর শেখের খোঁজ মেলেনি। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে রবিবার ইউনূস প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, হাদি-হত্যার বিচার সম্পন্ন হবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই।


বিজেপিকে রুখতে এক ছাতার তলায় বাম-তৃণমূল! অঘোষিত জোটের ধাক্কায় পূর্ব মেদিনীপুরে সমবায় ভোটে খাতাই খুলল না পদ্মের প্রার্থীদের

 

সমবায় নির্বাচনে একক ভাবে ৯ আসনেই প্রার্থী দেয় বিজেপি সমর্থিত প্যানেল। অন্য দিকে তৃণমূল সমর্থিত প্যানেল থেকে সাতটি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়। বাম সমর্থিত প্যানেল প্রার্থী দেয় দু’টি আসনে।


সমবায় ভোটে বিজেপিকে রুখতে এক ছাতার তলায় এল বাম-তৃণমূল! এমনই দৃশ্য ধরা পড়ল পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে। রবিবার চণ্ডীপুরের গোবর্ধনপুর সমবায় সমিতির ভোট ছিল। গণনা পর্ব শেষে দেখা গেল, খাতাই খুলতে পারল না বিজেপি শিবির।


গোবর্ধনপুর সমবায় সমিতিতে মোট ৯টি আসন রয়েছে। ভোটার আছেন প্রায় ৯৫০ জন। সমবায় নির্বাচনগুলিতে কোনও রাজনৈতিক দল সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না। দলীয় প্রতীকেও ভোট হয় না। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থিত প্রার্থীরা ভোটে লড়েন।

এত দিন পর্যন্ত তৃণমূল সমর্থিত প্যানেলের হাতেই ছিল এই সমবায়টি। এ বারের নির্বাচনে একক ভাবে ৯ আসনেই প্রার্থী দেয় বিজেপি সমর্থিত প্যানেল। অন্য দিকে তৃণমূল সমর্থিত প্যানেল থেকে সাতটি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়। বাম সমর্থিত প্যানেল প্রার্থী দেয় দু’টি আসনে। গণনা শেষে দেখা যায়, সব আসনেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল এবং বাম প্রার্থীরা। ধরাশায়ী হয়েছেন বিজেপির প্রার্থীরা।


বস্তুত, সমবায় ভোটের জন্য বাম এবং তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থীরা এক ছাতার তলায় এলেও, এটিকে কোনও ‘জোট’ বলে মানতে নারাজ তারা। সমবায় ভোটে বাম এবং তৃণমূল উভয় পক্ষের প্রার্থীরাই ‘সমবায়ী সমন্বয় কমিটি’-র ব্যানারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাই এটিকে সরাসরি কোনও ‘জোট’ বলে স্বীকার করছে না বাম-তৃণমূল কোনও পক্ষই।

তৃণমূলের চণ্ডীপুর ব্লক সভাপতি স্নেহাংশুশেখর পণ্ডিতের কথায়, “এখানে সমবায়ী সমন্বয় কমিটির ব্যানারে লড়াই হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ৭ জন কট্টর তৃণমূল। বাকিরাও সমবায়ের উন্নয়নে শামিল। এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের লক্ষ্যেই ভোট হয়েছে।” প্রকাশ্যে কোনও ‘জোটে’র কথা স্বীকার করতে চায়নি সিপিএমও। সিপিএমের চণ্ডীপুর অঞ্চলের সংগঠনের আহ্বায়ক আশিস গুছাইতের বক্তব্য, “আমরা ৫টি আসনে মনোনয়ন দিয়েছিলাম। পরে তিন জন নাম প্রত্যাহার করে নেন। সেই সময়ে তৃণমূলের তরফে সমবায়ী সমন্বয় কমিটির জোট ঘোষণা হয়। কিন্তু আমরা দলীয় ভাবে দুই প্রার্থীকে নিয়ে জোট করিনি। সেটা আমরা হ্যান্ডবিল প্রকাশ করে জানিয়ে দিয়েছি।”

তবে সমবায়ে হারের পরে বাম-তৃণমূলের ‘আঁতাত’ নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না বিজেপি শিবির। চণ্ডীপুরের সমবায় নির্বাচন প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা নেতৃত্বের দাবি, “বিজেপি-কে হারানোর জন্য রাজনৈতিক আদর্শ বিসর্জন দিয়ে অশুভ আঁতাত গড়েছে তৃণমূল ও সিপিএম। মানুষ সব দেখছে।” বস্তুত, চণ্ডীপুর বিধানসভা বর্তমানে তৃণমূলের হাতেই রয়েছে। নিজেদের বিধানসভা এলাকার সমবায় ভোটেই রাজ্যের শাসকদল অকারণেই দু’টি আসনে প্রার্থী দেয়নি— এই তত্ত্বও মানতে নারাজ বিজেপি শিবির। স্থানীয় বিজেপি নেতা বিপ্লব মণ্ডলের দাবি, “তৃণমূলের বিধানসভা এলাকা, অথচ সেখানেই সব আসনে প্রার্থী পায়নি শাসকদল? তারা বামেদের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়েছে। বিজেপি একক শক্তিতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছে এবং খুব অল্প ব্যবধানে হেরেছে৷ এটা বিজেপির নৈতিক জয় হিসাবেই দেখছি আমরা।”

প্রত্যেক SIR শুনানি কেন্দ্রের পাশে হবে তৃণমূলের সহায়তা শিবির, ঘোষণা অভিষেকের

 ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: রাজ্যজুড়ে চলছে এসআইআর শুনানি। এবার থেকে শুনানি কেন্দ্রের পাশে হবে তৃণমূলের সহায়তা শিবির। রবিবার ১ লক্ষ ২০ হাজার বিএলএ ২-র সঙ্গে ভারচুয়াল বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই বৈঠকেই এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন তিনি।image


শনিবার এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্বের শুনানির প্রথম দিন ছিল। অসুস্থ, বয়স্কদের শুনানিতে ডাকা নিয়ে প্রবল বিতর্ক শুরু হয়। প্রবল ঠান্ডায় কলকাতার চেতলা গার্লস স্কুলের শুনানি কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায় এক ৯০ বছরের বৃদ্ধকেও। অথচ ৮৫ পার হওয়া প্রবীণ ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু প্রথম দিনই সর্বত্র বহু অশীতিপর এবং নবতিপরকে শুনানির লাইনে দাঁড়াতে দেখে বিতর্ক শুরু হয়। পশ্চিম মেদিনীপুরে আবার হাসপাতালে ভর্তির দিনই এক অন্তঃসত্ত্বাকেও শুনানির লাইনে দেখা গিয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, এভাবে ক্রমাগত রাজ্যবাসীকে হেনস্তা করা হচ্ছে। আর সে কারণেই বাংলার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এসআইআর শুনানি কেন্দ্রের পাশে হবে তৃণমূলের সহায়তা শিবির। ওই শিবির থেকে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াবেন শাসক শিবিরের নেতা-কর্মীরা। এর আগে সাধারণ মানুষের সুবিধায় রাজ্য প্রশাসনের তরফে 'মে আই হেল্প ইউ' ক্যাম্প করা হয়। ওই ক্যাম্প থেকে জন্ম কিংবা মৃত্যুর শংসাপত্র-সহ নানা প্রয়োজনীয় নথিপত্রজনিত সমস্য়া দূর করা হয় সাধারণ মানুষের।


এদিকে, সাধারণ মানুষের হেনস্তার প্রতিবাদ জানাতে সোমবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে যাবে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল, এদিনের বৈঠকে সেকথাও জানান অভিষেক। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এদিন বিএলএ ২-দের ভালো কাজের প্রশংসাও করেন। তাঁর কথায়, "আপনাদের নাম স্বর্ণাক্ষরে ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে।" শনিবারের তৃণমূল ভবন থেকে ভারচুয়াল বৈঠকের প্রসঙ্গও তোলেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে ভোটমুখী বাংলায় এসআইআর করছে কমিশন, সেকথাও আরও একবার উল্লেখ করেন তিনি। বিজেপি নেতারা লাগাতার দাবি করার পরেও ক'জন বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গার নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে সেই সংক্রান্ত তথ্যের দাবিও জানিয়েছেন অভিষেক।

বছর শেষ, কবে DA মামলার রায়দান করবে সুপ্রিম কোর্ট? মলয় মুখোপাধ্যায় বললেন, জানুয়ারি মাসের…

image

 


বহু প্রতীক্ষিত ডিএ (Dearness Allowance) মামলার রায়দান হল না ডিসেম্বরেও। কবে রায় দেবে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)? আপাতত সকল রাজ্য সরকারের কর্মচারী ও অবসরপ্রাপ্তদের নজর সেদিকে। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে শীতকালীন ছুটি চলছে। আগামী ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ সুপ্রিম কোর্ট খুলবে। নতুন বছরের শুরুতেই কি আদালত রায় দেবে? সম্ভাব্য সময় কবে? আপডেট রইল।


ডিএ মামলার রায় নিয়ে চৰ্চা | Dearness Allowance

সম্প্রতি কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “কর্মচারী সমাজ দেখেছে, আমরা কিভাবে আইনি লড়াই লড়েছি। আমরা সবসময় চেষ্টা করছি ডিএ মামলার রায় বেরোবে। ”

গত ৮ সেপ্টেম্বর ডিএ মামলার চূড়ান্ত শুনানি সমাপ্ত হয় সুপ্রিম কোর্টে। তারপর বেশ কিছুটা সময় পেরিয়ে গিয়েছে। তিনমাস অতিক্রান্ত। ইতিমধ্যেই সর্বোচ্চ আদালতে শীতকালীন ছুটি শুরু হয়েছে। ৫ জানুয়ারি আদালত খুলবে। সেই সময় ডিএ মামলার রায়দান হবে কি?

আর পড়ুন ,: বকেয়া ২৫% ডিএ মমালার নয়া মোড়, ১৪ জুলাইয়ের আশায় বসে রাজ্যের সরকারি কর্মীরা

মলয়বাবু বলেন, “জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে যখন সুপ্রিম কোর্ট খুলবে সেই সপ্তাহে রায় আসতে পারে আবার পরবর্তীকালেও দিতে পারে। আমরা অনুমান করছি রায়টা হয়তো এখনও সম্পূর্ণভাবে লেখা হয়নি। শীতকালীন ছুটির মধ্যে রায় লেখা হতে পারে। জানুয়ারি মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে রায় প্রকাশ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।” মলয়বাবু আরও বলেন, “আমরা জানি না সর্বোচ্চ আদালত ঠিক কোনদিন রায় দেবে। রায় কবে ঘোষণা হবে তা আমরা জানতে পারব মাত্র এক থেকে দু’দিন আগে।”


এদিকে ‘কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ়’-এর আরেক শীর্ষ নেতা শ্যামল মিত্র বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘শীর্ষ আদালতের তরফে যে দ্রুততার সঙ্গে শুনানি করা হয়েছে, যে ভাবে বিচারপতিরা একের পর এক প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্য সরকারের মনোভাবকে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন, তার পরে এতদিন কেন ডিএ মামলার রায়দান হলো না, তা নিয়ে আমরা বিস্মিত৷”

তিনি বলেন, “আসলে আমরা সবাই আদালতের নির্দেশের জন্যই অপেক্ষা করছি।’ এবার জানুয়ারি মাসে এই মামলায় রায়দান হয় কি না সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন মামলাকারী থেকে কর্মচারীমহল। উল্লেখ্য, বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও বিচারপতি পিকে মিশ্রর বেঞ্চে শুনানি শেষ হয়েছে গত ৮ সেপ্টেম্বর। শুনানির পরে রায়দান রিজ়ার্ভ রয়েছে। এই বিশেষ বেঞ্চই মামলার রায়দান করবে।

কেউ বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন, কারও হবে পদোন্নতি! ২০২৬-এ বিরাট পরিবর্তন আসতে চলেছে পাঁচ রাশির জীবনে

 বছর পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের ভাগ্যেরও পরিবর্তন হয়। এ ক্ষেত্রে সকলেই চান যেন ভালটাই ঘটে। কিন্তু আমরা সব সময় যেমনটা চাই, তেমনটা ঘটে না।


ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।


বিভিন্ন গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান অনুযায়ী এক একটি বছর কেমন কাটবে তার বিচার করা হয়। এ বিষয়ে সাহায্য করে জ্যোতিষশাস্ত্র। প্রতিটা বছর কোনও মানুষের একই রকম যেতে পারে না। বছর পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের ভাগ্যেরও পরিবর্তন হয়। এ ক্ষেত্রে সকলেই চান যেন ভালটাই ঘটে। কিন্তু আমরা সব সময় যেমনটা চাই, তেমনটা ঘটে না। কোন বছর কেমন কাটবে তার পুরোটাই নির্ভর করে কোষ্ঠীতে থাকা গ্রহদের অবস্থানের উপর। শাস্ত্র জানাচ্ছে, ২০২৬-এ পাঁচ রাশির জীবনে বিশাল পরিবর্তন আসতে চলেছে। তারা কিছু ক্ষেত্রে এমন সব পরিবর্তনের সম্মুখীন হবে যা তাদের কল্পনার বাইরে।

২০২৬-এ কাদের ভাগ্যে বিশাল পরিবর্তন আসবে?

মেষ: ২০২৬ মেষের জন্য নানা নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন চাকরি থেকে নতুন শহরে থাকার অভিজ্ঞতা, ২০২৬-এ আপনারা সবটাই অনুভব করার সুযোগ পাবেন। সাহসী প্রকৃতির হওয়ার কারণে মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের কাছে এই ব্যাপারগুলো উৎসাহব্যঞ্জক হবে। তবে মাঝেমধ্যে মনের কোণে ভীতির আনাগোনাও দেখা যাবে। তবে আত্মবিশ্বাস হারালে চলবে না।

কর্কট: নতুন বছরে কর্কট রাশির জাতক-জাতিকাদের বিয়ের পিঁড়িতে বসার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। আপনারা প্রেমের ক্ষেত্রে আগামী বছরে নানা পরিবর্তন দেখতে পাবেন। যাঁরা একা আছেন, তাঁরা নতুন প্রেমের সন্ধান পেতে পারেন। যাঁরা সম্পর্কে রয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে সম্পর্ক এ বার বিয়ের দিকে এগোতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। জীবনে নতুন বন্ধুও তৈরি হবে। তবে কষ্ট পাওয়ার ভয়ে পিছিয়ে এলে হবে না।

তুলা: ২০২৬ তুলা রাশির ব্যক্তিদের স্বপ্নের বছর হতে চলেছে। কাজের জায়গায় পদোন্নতির প্রবল যোগ দেখা যাচ্ছে। কিংবা নতুন কোনও প্রকল্পের দায়িত্ব আপনাদের ঘাড়ে আসতে পারে। এতে আপনাদেরই সুবিধা হবে। পেশার ক্ষেত্রে অন্যদের থেকে অনেকটা এগিয়ে যেতে পারবেন। তবে নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করলেই ফলপ্রাপ্তি ঘটবে। না হলে সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

মকর: শনির রাশি মকরের জন্যও ২০২৬ নানা সুযোগ নিয়ে আসতে চলেছে। আপনারা বিভিন্ন দিক দিয়ে আয়ের উৎস খুঁজে পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। সেই কারণে সঞ্চয়ও ভাল হবে। মকরের জাতক-জাতিকাদের কাছে নতুন বছরটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করার জন্য উপযুক্ত হবে। কোনও ব্যবসা শুরু করতে চাইলে করতে পারেন। খুব ভাল যোগ দেখা যাচ্ছে।

মীন: নতুন বছরে মীন রাশির ব্যক্তিরা নিজেদের নতুন করে চিনবেন। নানা দিক থেকে নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন এই রাশির মানুষেরা। নতুন জিনিস শেখা ও জানার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে। এই আগ্রহ আপনাদের পেশার ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। ২০২৬-এ মীন রাশির ব্যক্তিরা নিজেদের গহীনে থাকা এমন কিছু খুঁজে বার করবেন যার অস্তিত্ব সম্বন্ধে তাঁরা নিজেরাও জানতেন না।