'বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাবর-আকবর-হুমায়ুন-শাহজাহান-ঔরঙ্গজেবের নাম লেখা হবে না', হুঙ্কার শুভেন্দুর
গঙ্গাসাগর ফেরত সাধুসন্তদের নিয়ে বাংলাদেশ উপদূতাবাসে ধর্নার হুমকি শুভেন্দুর! জামিন পেলেন মঙ্গলবারের বিক্ষোভকারীরা
রাত পোহালে ‘সিনিয়র সিটিজ়েন’! গ্যালাক্সি ছেড়ে পনবেলের খামারবাড়িতে রয়েছেন সলমন, কেমন আয়োজন?
ইহুদিদের রাস্তায় হেঁটে দিল্লির উপর ভরসা, ১০ লক্ষ ভারতীয়কে মোটা মাইনের চাকরি দেবেন পুতিন?
‘চিকেনস নেক’-এর দিকে তাকালেই মিলবে যোগ্য জবাব! ভারতের পদক্ষেপে চমকে গেল বাংলাদেশ
জয়া নন, রেখার ‘সতিন’ হতে চেয়েছিলেন অন্য এক অভিনেত্রী
ভারতীয় পণ্যকে জিআই তকমা দিতে আইন পরিবর্তনের পথে নিউ জ়িল্যান্ড
ভারতে ইলন মাস্কের ‘স্টারলিঙ্ক’-এর সুবিধা পাবেন মাত্র ২০ লক্ষ গ্রাহক! কবে থেকে? খরচই বা কত? জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
নাম কাটছে ভ্যানিশকুমারেরা’! জ্ঞানেশ, মনোজদের নিশানা মমতার, এআই দিয়ে ভোটার তালিকায় কারচুপিরও আশঙ্কা
Jio-Airtelকে টেক্কা দিতে মাঠে BSNL, ৫০ দিনে ১০০GB ডেটার ধামাকাদার প্ল্যান
মাস্ক-ঝড়ের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে শেয়ার বাজার, দেড় লক্ষ কোটি ডলারের আইপিও আনতে পারে মহাকাশ সংস্থা ‘স্পেসএক্স’
কমিশন জবাব দাও’! ফের সিইও দফতরের সামনে উত্তেজনা, পুলিশের, সঙ্গে ধস্তাধস্তি বিএলও-দের একাংশের
নির্বাচনের আগে শান্তি ফিরুক, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে যত দ্রুত সম্ভব উত্তেজনা কমুক’! পুতিনের দূত বার্তা দিলেন বাংলাদেশকে
মহারাষ্ট্রের পুর নির্বাচনে জয়ী বিজেপি নেতৃত্বাধীন ‘মহাজুটি’ জোট, পদ্মশিবিরে উল্লাস
Muhammad Yunus on Bangladesh: ‘ধৈর্য ধরুন’, কেন এ কথা বললেন মহম্মদ ইউনূস?
বিএসএফ জওয়ানকে টেনেহিঁচড়ে বাংলাদেশ নিয়ে গেল গরু পাচারকারীরা! অপহৃতকে উদ্ধারের চেষ্টায় বাহিনী
Showing posts with label #BJP. Show all posts
Showing posts with label #BJP. Show all posts

কোরান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, অসীম সরকারকে ‘কুচি কুচি করে কাটা’র হুমকি, অভিযোগ দায়ের বিধায়কের

 

ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


সুবীর দাস, কল্যাণী: বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারকে প্রাণনাশের হুমকি! ফোনে তাঁকে ‘কুচি কুচি’ করে কেটে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলেও অভিযোগ হরিণঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়কের। এরপরেই শুক্রবার রাতে চাকদহ থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। বিধায়কের দাবি, কোরান নিয়ে বক্তব্য রাখার কারণেই হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে। যদিও এতে ভীত নন বলেও জানিয়েছেন বিজেপি নেতা। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

বিজেপি বিধায়ক তথা কবিয়াল অসীম সরকার বলেন, ”শুক্রবার বিকেলের পর থেকে একাধিক ফোন নম্বর থেকে ফোন করে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা শুরু হয়। অকথ্য ভাষায় কথা বলা হচ্ছে, গালিগালাজ করা হচ্ছে।” শুধু তাই নয়, কুচি কুচি করে কেটে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ বিধায়কের। শুধু শুক্রবার নয়, আজ শনিবারও শতাধিক ফোন তাঁর কাছে এসেছে বলে দাবি তাঁর। এই অবস্থায় ফোন ধরাই বন্ধ করে দিয়েছেন। এদিন অসীম সরকার বলেন, ”শনিবার সকাল থেকে শতাধিক ফোন এসেছে। বিরক্ত হয়ে ফোন ধরাই বন্ধ করে দিয়েছি।” চাকদহ থানায় একাধিক ফোন নম্বর দিয়ে এই সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করেছেন কবিয়াল।


অন্যদিকে বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে পালটা থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন ইমাম। শুধু তাই নয়, অসীম সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও জানান তাঁরা। অভিযোগ, ‘ধর্মগ্রন্থ নিয়ে বিজেপি বিধায়ক অপপ্রচার করছেন বিধায়ক।’ সম্প্রতি বিজেপির একটি প্রতিবাদ আন্দোলন থেকে সংবাদমাধ্যমের সামনে কোরান নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য রাখেন হরিণঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক কবিয়াল অসীম সরকার। যা নিয়ে ঝড় উঠেছে সমাজমাধ্যমে। এরপরেই পালটা বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের ইমামদের।






বিজেপি বিধায়কের প্রাণনাশের হুমকি! লাগাতার উড়ো ফোন পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ অসীম সরকার

পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে বিধায়ক জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে উত্তর ২৪ পরগনার বেনাপোল সীমান্তে একটি প্রতিবাদ সভায় ভাষণ করেছিলেন তিনি। সেই বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করেন কিছু মানুষ।

উড়ো ফোনে আসছে খুনের হুমকি। বার বার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা ফোন করে তাঁকে শাসাচ্ছেন। এমনই অভিযোগ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার।


পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে অসীম চাকদহ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দুটি ফোন নম্বর দিয়ে জানিয়েছেন, ক্রমাগত তাঁর প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হুমকির কারণ হিসাবে হরিণঘাটার বিধায়ক নিজেই বলেছেন, তাঁর একটি বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করে সমাজমাধ্যমে বেশ কিছু পোস্ট করা হয়েছে। ‘মৌলবাদী লোকজন’ তাঁকে খুন করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। অভিযুক্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন ওই বিধায়ক।

পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে অসীম জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের ঘটনার প্রতিবাদে উত্তর ২৪ পরগনার বেনাপোল সীমান্তে একটি প্রতিবাদ সভায় ভাষণ করেছিলেন তিনি। তাঁর সেই বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করেন কিছু মানুষ। পুরো বক্তব্যের ভিডিয়ো থেকে একটি অংশ কেটে তা সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তার পর থেকেই নিয়মিক তিনি খুনের হুমকি পাচ্ছিলেন। শুক্রবার রাত ৮টা নাগাদ নির্দিষ্ট দুটি অচেনা নম্বর থেকে একটি ফোন আসে। ধরার পরতেই পুরুষ কণ্ঠ ভেসে আসে। শুরুতেই তিনি কদর্য শব্দ ব্যবহার করেন। গালিগালাজ করে মেরে ফেলার হুমকি দেন বিধায়ককে।


অসীম জানিয়েছেন, তিনি ওই ব্যক্তির পরিচয় জানতে চেয়েছিলেন।তখন আবার তাঁকে খুনের হুমকি দিয়ে ফোন রেখে দেন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিটি। এর পর রাত ৮টা ৪০ মিনিটে আবার ফোন করে হুমকি দেওয়া হয় তাঁকে। এ বার অন্য নম্বর থেকে ফোন এসেছিল।


শনিবার বিজেপি বিধায়ক অসীম বলেন, ‘‘একটি নির্দিষ্ট ধর্মগ্রন্থ সংক্রান্ত কিছু যুক্তিপূর্ণ এবং তথ্যসমৃদ্ধ কথা বলেছিলাম। বক্তব্য নিয়ে অবশ্যই কারও আপত্তি থাকতে পারে। তার জন্য আইন-আদালত আছে। এ ভাবে খুনের হুমকি দেওয়ার পিছনে নির্দিষ্ট কোনও চক্র কাজ করছে বলেই মনে হচ্ছে। আমি লিখিত অভিযোগ করেছি। পুলিশ ব্যবস্থা নিক।’’

বিজেপিকে রুখতে এক ছাতার তলায় বাম-তৃণমূল! অঘোষিত জোটের ধাক্কায় পূর্ব মেদিনীপুরে সমবায় ভোটে খাতাই খুলল না পদ্মের প্রার্থীদের

 

সমবায় নির্বাচনে একক ভাবে ৯ আসনেই প্রার্থী দেয় বিজেপি সমর্থিত প্যানেল। অন্য দিকে তৃণমূল সমর্থিত প্যানেল থেকে সাতটি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়। বাম সমর্থিত প্যানেল প্রার্থী দেয় দু’টি আসনে।


সমবায় ভোটে বিজেপিকে রুখতে এক ছাতার তলায় এল বাম-তৃণমূল! এমনই দৃশ্য ধরা পড়ল পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে। রবিবার চণ্ডীপুরের গোবর্ধনপুর সমবায় সমিতির ভোট ছিল। গণনা পর্ব শেষে দেখা গেল, খাতাই খুলতে পারল না বিজেপি শিবির।


গোবর্ধনপুর সমবায় সমিতিতে মোট ৯টি আসন রয়েছে। ভোটার আছেন প্রায় ৯৫০ জন। সমবায় নির্বাচনগুলিতে কোনও রাজনৈতিক দল সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না। দলীয় প্রতীকেও ভোট হয় না। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থিত প্রার্থীরা ভোটে লড়েন।

এত দিন পর্যন্ত তৃণমূল সমর্থিত প্যানেলের হাতেই ছিল এই সমবায়টি। এ বারের নির্বাচনে একক ভাবে ৯ আসনেই প্রার্থী দেয় বিজেপি সমর্থিত প্যানেল। অন্য দিকে তৃণমূল সমর্থিত প্যানেল থেকে সাতটি আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়। বাম সমর্থিত প্যানেল প্রার্থী দেয় দু’টি আসনে। গণনা শেষে দেখা যায়, সব আসনেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল এবং বাম প্রার্থীরা। ধরাশায়ী হয়েছেন বিজেপির প্রার্থীরা।


বস্তুত, সমবায় ভোটের জন্য বাম এবং তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থীরা এক ছাতার তলায় এলেও, এটিকে কোনও ‘জোট’ বলে মানতে নারাজ তারা। সমবায় ভোটে বাম এবং তৃণমূল উভয় পক্ষের প্রার্থীরাই ‘সমবায়ী সমন্বয় কমিটি’-র ব্যানারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাই এটিকে সরাসরি কোনও ‘জোট’ বলে স্বীকার করছে না বাম-তৃণমূল কোনও পক্ষই।

তৃণমূলের চণ্ডীপুর ব্লক সভাপতি স্নেহাংশুশেখর পণ্ডিতের কথায়, “এখানে সমবায়ী সমন্বয় কমিটির ব্যানারে লড়াই হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ৭ জন কট্টর তৃণমূল। বাকিরাও সমবায়ের উন্নয়নে শামিল। এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের লক্ষ্যেই ভোট হয়েছে।” প্রকাশ্যে কোনও ‘জোটে’র কথা স্বীকার করতে চায়নি সিপিএমও। সিপিএমের চণ্ডীপুর অঞ্চলের সংগঠনের আহ্বায়ক আশিস গুছাইতের বক্তব্য, “আমরা ৫টি আসনে মনোনয়ন দিয়েছিলাম। পরে তিন জন নাম প্রত্যাহার করে নেন। সেই সময়ে তৃণমূলের তরফে সমবায়ী সমন্বয় কমিটির জোট ঘোষণা হয়। কিন্তু আমরা দলীয় ভাবে দুই প্রার্থীকে নিয়ে জোট করিনি। সেটা আমরা হ্যান্ডবিল প্রকাশ করে জানিয়ে দিয়েছি।”

তবে সমবায়ে হারের পরে বাম-তৃণমূলের ‘আঁতাত’ নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না বিজেপি শিবির। চণ্ডীপুরের সমবায় নির্বাচন প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা নেতৃত্বের দাবি, “বিজেপি-কে হারানোর জন্য রাজনৈতিক আদর্শ বিসর্জন দিয়ে অশুভ আঁতাত গড়েছে তৃণমূল ও সিপিএম। মানুষ সব দেখছে।” বস্তুত, চণ্ডীপুর বিধানসভা বর্তমানে তৃণমূলের হাতেই রয়েছে। নিজেদের বিধানসভা এলাকার সমবায় ভোটেই রাজ্যের শাসকদল অকারণেই দু’টি আসনে প্রার্থী দেয়নি— এই তত্ত্বও মানতে নারাজ বিজেপি শিবির। স্থানীয় বিজেপি নেতা বিপ্লব মণ্ডলের দাবি, “তৃণমূলের বিধানসভা এলাকা, অথচ সেখানেই সব আসনে প্রার্থী পায়নি শাসকদল? তারা বামেদের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়েছে। বিজেপি একক শক্তিতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছে এবং খুব অল্প ব্যবধানে হেরেছে৷ এটা বিজেপির নৈতিক জয় হিসাবেই দেখছি আমরা।”